উদ্যোক্তা বিষয়ক সাক্ষাৎকার – সুবিন

“দেশের তরুণ আইটি উদ্যোক্তাদের গল্প”
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তরুণদের অবদান অপরিহার্য, মূলত তরুণ প্রযুক্তিবিদদের চৌকস দক্ষতা ও অপরিসীম ধৈর্য্যের দ্বারা এই খাত এগিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত। বেশিরভাগ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত থাকলেও কিছু ব্যাতিক্রমও রয়েছেন। বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান তরুণ অন্য জায়গায় চাকরি করার বদলে নিজেরাই গড়ে তুলেছেন প্রতিষ্ঠান, চাকরি দিচ্ছেন অন্যদের, আয় করছেন বৈদেশিক মুদ্রা, অণুপ্রেরণা হয়ে আছেন তাদের নবীনদের মধ্যে!
তাদের সফলতা, ব্যর্থতা, অর্জন আর পেছনের গল্প নিয়ে জানুয়ারি, ২০১৩ সংখ্যা থেকে “কম্পিউটার জগত” ম্যাগাজিনে প্রতি সংখ্যায় প্রকাশিত হবে একটি করে সাক্ষাৎকার। আশা করি এর মাধ্যমে নবীনরা অনূপ্রাণিত হবে তাদের অভীষ্ট স্বপ্ন “আইটি উদ্যোক্তাতা” হওয়ার লক্ষে। এই সিরিজ সাক্ষাৎকারগুলোর প্রথম পর্বে থাকছে দেশের একজন স্বনামধন্য  সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং সফল তরুণ আইটি উদ্যোক্তা তামিম শাহ্‍‍রিয়ার (সুবিন) এর, সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন মৃণাল কান্তি রায় দীপ।

দীপঃ প্রথমে আপনি এবং আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কিছু বলুন?
সুবিনঃ আমি তামিম শাহ্‍‍রিয়ার। তবে পরিচিতজনেরা আমাকে সুবিন (ডাকনাম) নামেই ডাকে। পেশায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী। আমি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করি ২০০৬ সালে। বর্তমানে আমি কাজ করছি আমার নিজের প্রতিষ্ঠান মুক্ত সফটওয়্যার লিমিটেড-এ। মুক্ত সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে। আমার সাথে সহপ্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মোহাম্মাদ মাহমুদুর রহমান যিনি বর্তমানে মুক্ত সফটের চেয়্যারম্যান ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।

দীপঃ আমাদের দেশের বেশীরভাগ শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা শেষে চাকরি খুঁজতে ব্যস্ত থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ভিন্ন হলেন কেন?
সুবিনঃ আসলে আমার উদ্যোক্তা হবার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। আমার ক্যারিয়ার শুরু হয় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে। সেখানে ২ সেমিস্টার কাটানোর পড়ে আমি বুঝতে পারি যে আমি আসলে কিছু শিখছি না, তাই চাকরী ছেড়ে দেই। তারপরে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রথমে দেশের খ্যাতনামা একটি কোম্পানীতে যোগ দেই। সেখানে দেড় বছর কাজ করার পরে আরো দেড় বছর কাজ করি প্লেডম বাংলাদেশে (তৎকালীন ট্রিপার্ট ল্যাবস)। চাকরী করতে গিয়ে আমার মনে হয়েছে আমার পুরোপুরি মেধা ও শ্রম আসলে কাজে লাগাতে পারছি না। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান খুলে ফেলি যেখানে আমি আমার মেধা ও শ্রমের পর্যাপ্ত ব্যবহার করতে পারবো।

দীপঃ ব্যাক্তিগত ভাবে একজন ভালো প্রোগ্রামার হওয়ায় আপনার কাছে হয়ত বিদেশী প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রন ছিলো, সেটা উপেক্ষা করে নিজে কিছু করার উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা কেমন করে পেলেন?
সুবিনঃ হ্যাঁ, বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে আমি চাকরির ইন্টারভিউ অফার পেয়েছিলাম। ফেসবুক থেকে আমাকে চাকরির ইন্টারভিউ-র জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় ২০১০ সালের জুন মাসে, আর গুগল থেকে চাকরির ইন্টারভিউ অফার পাই ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। তাদেরকে আমি তখন ইন্টারভিউ দিতে অপারগতা জানাই এবং আরো কয়েকবছর আমার নিজের দেশে কাটানোর ইচ্ছার কথা জানাই। সেগুলো উপেক্ষা করা আমার জন্য মোটেও কঠিন কিছু ছিল না। কারণ আমি দেশে থাকতে চেয়েছিলাম। আর দেশে থাকার অনেকগুলো কারণের মধ্যে প্রধান ছিল বাবা-মা’র সাথে থাকা।
আর এপিজে আবুল কালামের “উইসং অব ফায়ার” বইটি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।

দীপঃ শুরুটা কেমন? মূলধন কি রকম এবং কতজন পেশাদার নিয়ে শুরু হয়েছিলো “মুক্ত সফটওয়্যার”?
সুবিনঃ তখন রেন্টএকোডার ডট কম (rentacoder.com) নামের একটি সাইটে আমি মাঝে মাঝে কাজ করতাম। সেখানে আমার রেটিং বেশ ভালো ছিল। সেটাকেই মূলত আমাদের ব্যবসার মূলধন হিসেবে ধরতে পারেন। আর টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছে ছয়-সাত লাখের মতো। সেই টাকা এসেছিল আমাদের নিজেদের জমানো টাকা থেকে। এ ছাড়া আমি ব্যাংক থেকে পার্সোনাল লোন নিয়েছিলাম। শুরুর সময় আমি যেহেতু চাকরি করতাম, মাহমুদ-ই কোম্পানী দেখাশোনা করত। ২০১০ এর জুন মাসে আমি চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি নিজের প্রতিষ্ঠানে চলে আসি। ২০০৯ সাথে আমাদের কোম্পানিতে ফুলটাইম পেশাদার ছিল ৩ জন, আর ২০১২ সালে সেটি এসে দাঁড়ায় ১২ জনে।

দীপ: লোন পেতে কোনো সমস্যা হয় নি?
সুবিন: না, কারণ তখন আমি ভালো বেতনের চাকরি করতাম। তাই ব্যাংক খুশিমনেই আমাকে লোন দিয়েছে। তবে এখন মনে হয় দিবে না।

দীপঃ আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে কি ধরনের সার্ভিস দেয়া হয়ে থাকে বা কি ধরনের প্রজেক্ট আপনারা নিয়ে থাকেন?
সুবিনঃ আমরা মূলত কাস্টমাইজড সফটওয়্যার তৈরি করি। আমাদের কাজের প্লাটফর্মে বেশ বৈচিত্র আছে। আমরা রিচ ইন্টারনেট অ্যাপ্লিকেশন (RIA – Rich Internet Application), সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ও গেমস (আইফোন, অ্যান্ড্রয়েড, ব্লাকবেরি ও জাভা এম ই) তৈরি করি। তবে সম্প্রতি আমরা ইআরপি (ERP – Enterprise Resource Planner) সফটওয়্যার তৈরি করছি এবং সেই সাথে বিগ ডাটা ও মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করছি।

দীপঃ গ্রাহক সংগ্রহ হয়ে থাকে কেমন করে?
সুবিনঃ শুরুর দিকে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইগুলো ছিল আমাদের ক্লায়েন্ট যোগাড় করার একমাত্র উপায়। তবে এখন রেফারেন্সের মাধ্যমেই বেশি ক্লায়েন্ট আসে।

দীপঃ বর্তমানে কতজন পেশাদার/কর্মী রয়েছে আপনার প্রতিষ্ঠানে?
সুবিনঃ বর্তমানে কোম্পানীতে ১২ জন সফটওয়্যার প্রকৌশলি কাজ করছেন। দেশের শীর্ষ প্রোগ্রামাররাই মুক্ত সফটে কাজ করে থাকেন। শুরু থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ জন এসিএম আইসিপিসি ওয়ার্ল্ড ফাইনালিস্ট কাজ করেছেন মুক্ত সফটে – তাঁদের মধ্যে দুইজন এখন গুগলের মাউন্টেন ভিউ অফিসে কর্মরত, আরেকজন যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করছেন। এছাড়াও গুগল সামার অব কোডে অংশগ্রহনকারি, আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহনকারি ছেলেরা মুক্ত সফটওয়্যারে কাজ করছে। এক কথায় বলতে পারেন দেশের সেরা মেধাবী ও উদ্যমী তরুণদের আখড়া হচ্ছে মুক্ত সফটওয়্যার লিমিটেড।

দীপঃ প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা কোন ব্যবস্থাপনা টিম/বিভাগ কি রয়েছে?
সুবিনঃ ব্যবস্থাপনার কাজ আমি আর মাহমুদ মিলেই করি। ভবিষ্যতে আলাদা ব্যবস্থাপনা বিভাগ খোলার পরিকল্পনা আছে।

দীপঃ আপনার প্রতিষ্ঠানের অর্জন?
সুবিনঃ ব্যাক্তিগতভাবে প্রতিষ্ঠানের অনেকেরই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা রকম অর্জন রয়েছে। সেগুলোর বাইরে প্রতিষ্ঠানের অর্জনও কিছু আছে। vworker.com (পরে freelancer.com এটিকে কিনে নেয়) সাইটে আমরা এক নম্বর বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া ইংল্যান্ডের একটি কোম্পানীর জন্য আমাদের বানানো একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন আন্তর্জাতিক একটি কেইস স্টাডি হিসেবে দেখানো হয় ২০১১ সালে। ২০১২ সালের বেসিস কোডওয়ারিয়র-এ আমাদের কোম্পানীর একটি দল অংশগ্রহন করে এবং পিএইচপি ট্র্যাকে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া ডাটা মাইনিংয়ের উপর একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আমরা সেরা ১০% এ ছিলাম।

দীপঃ আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে একজন আইটি উদ্যোক্তা হওয়া কতটুকু গ্রহনযোগ্য?
সুবিনঃ এখানে আসলে গ্রহনযোগ্যতার কোনো প্রশ্ন আসে না। যেকোনো কাজ, যেখানে অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সৎপথে উপার্জন করা যায়, তা অবশ্যই গ্রহনযোগ্য। আপনি লক্ষ করে দেখবেন, বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের মাঝে সরকারি চাকরির গ্রহনযোগ্যতা বেশ কম – কারণ সেখানে ঘুষ-দুর্নীতির সংস্কৃতি বেশ জাকিয়ে বসেছে। আর তরুণ প্রজন্ম দুর্নীতি-বিমুখ বলেই নিতান্ত বাধ্য না হলে কেউ সরকারি চাকরিতে যেতে চায় না। যদিও কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে, তবে তা হাতেগোনা।

দীপঃ এক্ষেত্রে সরকারি সাহায্য কি দেয়া হয় বা সহায়তা কি পাওয়া যায় ?
সুবিনঃ বর্তমানে সফটওয়্যার কোম্পানীগুলোর জন্য সরকার ট্যাক্স মওকুফ করেছে। আর রয়েছে ইইএফ ফান্ড তবে এখন পর্যন্ত সেটার ভালো ব্যবহারের পরিবর্তে লুটপাটের কাহিনীই বেশি শোনা যায়। এ ব্যাপারে আপনারাই (আইটি সাংবাদিকরা) ভালো জানার কথা। এছাড়া অন্য কোনো সরকারি সাহায্য বা সহায়তার কথা আমার জানা নাই। যদিও সরকারের অনেক পরিকল্পনার কথা শোনা যায়, সেগুলো এখনও কল্পনাতেই আটকে আছে, বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

দীপঃ আপনার প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং নতুন কোন পদক্ষেপ বা উদ্যোগ কি ব্যাক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আছে?
সুবিনঃ  সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্টের পাশাপাশি নানা রকম রিসার্চ করে মুক্ত সফটওয়্যারকে আমরা অন্য উচ্চতায় নিতে চাই। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সাথে আমাদের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যার অধীনে সাস্টের সাথে আমরা যৌথভাবে গবেষণা ও সফটওয়্যার ডেভলাপমেন্টের কাজে অংশ নিবো এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা শেয়ার করবো। ভবিষ্যতে নিত্যনতুন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা ও কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। এছাড়া দেশের বাইরেও অফিস খোলার পরিকল্পনা আছে। আর দেশের প্রোগ্রামিং সংস্কৃতির বিকাশে ব্যক্তিগতভাবে কাজ করতে চাই। ইতিমধ্যে আমি “কম্পিউটার প্রোগ্রামিং” নামে একটি প্রোগ্রামিংয়ের বই লিখেছি বাংলা ভাষায়। এটি পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

দীপঃ আইটি উদ্যোক্তা হতে কি কি প্রয়োজন?
সুবিনঃ

  • সাহস। যথেষ্ট সাহস না থাকলে কোম্পানী শুরু করা যায় না।
  • ধৈর্য়্য। যথেষ্ঠ ধৈর্য্য না থাকলে কোম্পানী টিকিয়ে রাখা যায় না।
  • প্রচুর বই পড়ার অভ্যাস। নানা রকম বই পড়ার অভ্যাস থাকতে হবে। সেটা যেকোনো রকম বই হতে পারে। অন্যের অভিজ্ঞতাকে নিজের মধ্যে ধারন করার সবচেয়ে সহজ উপায় বই।
  • পরিশ্রম এবং পরিশ্রম! পরিশ্রম ছাড়া কোনো কিছু অর্জন সম্ভব নয়।
  • যোগাযোগে ভালো হতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি দুটো ভাষাতেই কথা বলা, পড়া ও লিখার দক্ষতা থাকতে হবে।
  • সর্বোপরি নিজের কাজকে উপভোগ করতে হবে।

——-আইটি উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য তামিম শাহরিয়ারের কিছু টিপস——–

  • যথেষ্ট পরিমান টাকা সঞ্চয় করতে হবে যেন নতুন প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো আয় ছাড়াই কমপক্ষে এক বছর চলা যায়
  •  ব্যক্তিগতভাবে কোনো কিছুর উপর ভালো দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
  •  নতুন কোম্পানীতে অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে হবে। কারণ ছোট অবস্থায় অনভিজ্ঞ কাউকে নিয়ে তার দক্ষতা বাড়ানোর পিছনে সময় দেওয়া সম্ভব হয় না।
  •  ব্যাক্তিজীবনে ও প্রতিষ্ঠানের খরচের ব্যাপারে মিতব্যায়ি হতে হবে।
  • কোম্পানীর আয়-ব্যায়ের হিসাব (একাউন্টস) ঠিকভাবে রাখতে হবে।
  •  সকল প্রকার আর্থিক লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করার চেষ্টা করতে হবে।

কম্পিউটার জগত  দেশের শীর্ষস্থানীয় বাংলা কম্পিউটার ম্যাগাজিন। তারা ২০১৩ সাল থেকে দেশের তরুণ আইটি উদ্যোক্তাদের উপর একটি নিয়মিত ফিচার শুরু করে। সেই ফিচার সিরিজের জন্য প্রথম ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন মৃণাল কান্তি রয় (দীপ)। সেটি ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসের সংখ্যায় প্রকাশিত হয়: http://www.comjagat.com/home/articles/morearticles/6654। 

মূল ইন্টারভিউ এখানে প্রকাশ করা হলো। আগামী দিনের তরুণ আইটি উদ্যোক্তাদের হয়ত কিছুটা কাজে লাগলেও লাগতে পারে।

Facebook Comments

Leave a Reply