পাইথন শেখার ডিভিডি

সম্প্রতি পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার ডিভিডি বের করেছে দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল (http://dimikcomputing.com)।

 python-dvd

ডিভিডি পাওয়া যাচ্ছে হক লাইব্রেরি (নীলক্ষেত, ঢাকা), কম্পিউটার জগৎ (আইডিবি ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা) ও রকমারি ডট কম-এ। এছাড়া যারা একসাথে বেশি সংখ্যক ডিভিডি কিনতে চান, তারা দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুলে সরাসরি যোগাযোগ করুন (ফোন: 01913884948)।

ডিভিডি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য :

বিষয়বস্তুঃ
পাইথন বর্তমানে একটি বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা। দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। প্রফেশনাল কাজে যেমন পাইথনের ব্যবহার বাড়ছে, তেমনি একাডেমিক সেক্টরেও এটিও জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। Coursera-তে বিভিন্ন অনলাইন কোর্সে প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে পাইথনের বহুল ব্যবহার লক্ষ্য করার মতো। পাইথন চলে লিনাক্স, ম্যাক ওএসএক্স ও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে। গুগলের অফিসিয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজগুলোর একটি হচ্ছে পাইথন। এই কোর্সটিতে যারা মোটামুটি প্রোগ্রামিং জানে তাদেরকে পাইথনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। প্রোগ্রামিংয়ে যারা একেবারেই নতুন তাদের জন্য কোর্সটি উপযোগি নয়। যারা শৌখিন প্রজেক্ট কিংবা প্রফেশনাল প্রজেক্টে পাইথন ব্যবহার করতে চায় তারা এই কোর্সটি দিয়ে পাইথন শেখা শুরু করতে পারে। আর যারা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তারাও পাইথনের সাথে পরিচিত হয়ে নিতে পারে এই কোর্সটি দিয়ে।

ডিভিডি কাদের জন্যঃ
যারা প্রোগ্রামিংয়ে একেবারেই নতুন, তাদের কোর্সটি বুঝতে সমস্যা হবে, আবার যারা পাইথনের সাথে ইতিমধ্যে পরিচিত, তাদের তেমন একটা লাভ হবে না কোর্সটি থেকে। কোর্সটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য যারা কমপক্ষে একটি প্রোগ্রামিং কোর্স ভালোভাবে শেষ করেছে। প্রোগ্রামিংয়ের বেসিক জিনিসগুলোর ব্যাপারে দক্ষ হতে হবে।

সুচিপত্রঃ
ইউনিট ০১ : পাইথনের সূচনা ও কন্ট্রোল ফ্লো
০১.০১ সূচনা
০১.০২ পাইথন কি এবং কেনো?
০১.০৩ পাইথনের ভার্সন
০১.০৪ প্রথম ইউনিটের সিলেবাস
০১.০৫ ভ্যারিয়েবল
০১.০৬ স্ট্রিং – ১
০১.০৭ স্ট্রিং – ২
০১.০৮ লিস্ট
০১.০৯ কন্ডিশনাল লজিক
০১.১০ কন্ডিশনাল লজিক – ২
০১.১১ কন্ট্রোল ফ্লো – ১
০১.১২ কন্ট্রোল ফ্লো – ২
০১.১৩ প্রথম ইউনিটের সমাপ্তি

ইউনিট ০২ : ডাটা স্ট্রাকচার
০২.০১ পাইথনের ডাটা স্ট্রাকচার
০২.০২ ডাটা স্ট্রাকচার কি?
০২.০৩ লিস্ট ডাটা স্ট্রাকচার
০২.০৪ লিস্টের ব্যবহার
০২.০৫ স্ট্যাক ও কিউ হিসেবে লিস্ট
০২.০৬ টাপল ডাটা স্ট্রাকচার
০২.০৭ টাপলের ব্যবহার
০২.০৮ সেট ডাটা স্ট্রাকচার
০২.০৯ সেটের ব্যবহার
০২.১০ ডিকশনারি
০২.১১ ডিকশনারির ব্যবহার
০২.১২ দ্বিতীয় সপ্তাহের সমাপ্তি

ইউনিট ০৩ : পাইথনের মডিউল
০৩.০১ ফাংশন ও মডিউল
০৩.০২ ফাইল থেকে পাইথন স্ক্রিপ্ট চালানো
০৩.০৩ কিবোর্ড থেকে ইনপুট
০৩.০৪ প্যাকেজ ও মডিউল
০৩.০৫ ফাংশন লেখার নিয়ম
০৩.০৬ প্রথম ফাংশন : যোগ
০৩.০৭ ফাংশনের প্যারামিটার
০৩.০৮ ভ্যালু ও রেফারেন্স
০৩.০৯ প্যারামিটারের ডিফল্ট মান
০৩.১০ ফাংশনে একাধিক ভ্যালু রিটার্ন
০৩.১১ ইমপোর্ট
০৩.১২ ইমপোর্ট এর ব্যবহার
০৩.১৩ প্যাকেজ তৈরী করা
০৩.১৪ প্যাকেজের ব্যবহার
০৩.১৫ তৃতীয় সপ্তাহের সমাপ্তি

ইউনিট ০৪ : ইনপুট, আউটপুট ও এক্সেপশন হ্যান্ডলিং
০৪.০১ ইনপুট, আউটপুট, ফাইল ও এক্সেপশন
০৪.০২ স্প্লিট ও জয়েন
০৪.০৩ স্প্লিট ও জয়েনের ব্যবহার
০৪.০৪ স্ট্রিং ফরম্যাটিং
০৪.০৫ স্ট্রিং ফরম্যাটিং – ২
০৪.০৬ ফাইল অপারেশন
০৪.০৭ এক্সেপশন হ্যান্ডলিং
০৪.০৮ ট্রাই ও ক্যাচ
০৪.০৯ চতুর্থ সপ্তাহের সমাপ্তি

ইউনিট ০৫ : পাইথনে অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
০৫.০১ এই ইউনিটে যা শিখব
০৫.০২ ওওপি এর ধারনা
০৫.০৩ ক্লাস তৈরী করা
০৫.০৪ ক্লাস ও অবজেক্ট
০৫.০৫ অবজেক্ট ও ইনস্ট্যান্স
০৫.০৬ ইনহেরিটেন্স
০৫.০৭ ইনহেরিটেন্সের ব্যবহার
০৫.০৮ ওওপি এর আরো কিছু কথা
০৫.০৯ পঞ্চম ইউনিটের সমাপ্তি

ইউনিট ০৬ : পাইথনের কিছু টুকিটাকি
০৬.০১ এই ইউনিটে যা শিখব
০৬.০২ ইটারেটর
০৬.০৩ জেনারেটর
০৬.০৪ জেনারেটর এক্সপ্রেশন
০৬.০৫ রেগুলার এক্সপ্রেশন
০৬.০৬ পাইথনের বিল্ট-ইন
০৬.০৭ নতুন প্যাকেজ ইনস্টল করা
০৬.০৮ ওয়েব প্রোগ্রামিং

শিক্ষক পরিচিতিঃ
তামিম শাহ্‍রিয়ার সুবিন — শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৬ সালে কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে গ্রাজুয়েশন করেন। বাংলা ভাষায় ‘কম্পিউটার প্রোগ্রামিং’ নামে একটি বই লিখেছেন (বইটির অনলাইন ভার্শন সবার জন্য উন্মুক্ত http://cpbook.subeen.com)। পাইথনের উপর তাঁর লেখা ব্লগ (http://love-python.blogspot.com/) বেশ জনপ্রিয়। মুক্ত সফটওয়্যার লিমিটেড নামে একটি সফটওয়্যার কোম্পানী পরিচালনা করার পাশাপাশি বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডে একজন একাডেমিক কাউন্সিলর (ভলান্টিয়ার) হিসেবে কাজ করেন। এছাড়া তিনি দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুলের একজন প্রতিষ্ঠাতা।

ডিভিডিহে আর‌ যা যা রয়েছেঃ
– পাইথনের ইন্সটলার সফটওয়্যার।
– ভিডিও প্লে করার জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার।

আউটসোর্সিং গন্তব্যের শীর্ষ তালিকায় বাংলাদেশ

বিশ্বের নামকরা গবেষণা প্রতিষ্ঠান AT Kearney-এর শীর্ষ ৫০টি আউটসোর্সিং গন্তব্যের দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো স্থান করে নিল বাংলাদেশ। কয়েকবছর পরপর এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি এই তালিকা তৈরি করে, যেটি সারা বিশ্বের বিনিয়োগকারীরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান সারা পৃথিবীতে ২৬, আর এশিয়ার মধ্যে ১০!

akterney-ranklist

এই তালিকায় স্থান করে নেওয়ার ব্যাপারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আজকে বেসিসের সংবাদ সম্মেলনে জানান বেসিসের শীর্ষ কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে বেসিসের প্রেসিডেন্ট শামীম আহসান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক সহ বেসিসের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও আইটি ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। এর ফলে বাংলাদেশের আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।

basis-pc
ছবি : বেসিস

বেসিসেের সাবেক সভাপতি ও বিডিজবস্-এর সিইও ফাহিম মশরুর ফেসবুক বার্তায় বলেন, ‘এই অর্জনের প্রধান কৃতিত্ব বাংলাদেশের হাজার হাজার আই-টি তরুণ উদ্যোক্তা আর আউটসোর্সিং পেশাজীবিদের।’ বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান ফেসবুকে বলেন, ‘এটিকার্নির শীর্ষ ৫০ তালিকায় স্থান পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সকল তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীকে অভিনন্দন জানাই্’।

তালিকায় শীর্ষ তিনটি দেশ হচ্ছে ভারত, চীন ও মালয়েশিয়া। তালিকা তৈরিতে মূলত তিনটি বিষয় প্রাধান্য পায় – দেশের অর্থনীতির আবেদন (Financial attractiveness), কর্মীদের সংখ্যা ও দক্ষতা (People skill and availability) এবং ব্যবসার পরিবেশ (Business Environment)।

সম্পূর্ণ রিপোর্টটি দেখা যাবে এখানে : http://goo.gl/Dq45Km

ওয়ার্ডপ্রেস থিম থেকে স্বপ্নের বাড়ি!

একজন ডেভেলপার নিজেকে নানা ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারে। সকল ক্ষেত্রেই যে নিমেষে সফলতা আসে তা নয়। কিন্তু যদি শুধুমাত্র একটি থিম ডেভেলপ করেই সফলতা লাভ করতে পারে তবে? এখানে প্রশ্ন আসতে পারে যে সফলতা বলতে কি বুঝান হচ্ছে। এই ডেভেলপারের ক্ষেত্রে বলা যায় তার স্বপ্নের বাড়ি বানাবার সামর্থ্য অর্জন করাই হল সফলতা। আর পাকিস্তানের এক ডেভেলপার মুহাম্মদ হারিস তাই অর্জন করতে পেরেছেন শুধুমাত্র একটি থিমের মাধ্যমে।

muhammedharris[1]

অ্যাভাডা, (http://theme-fusion.com/avada/) হল অস্ট্রেলিয়ার একটি বিখ্যাত থিম বিক্রয়কারি সাইট থিমফরেস্টের সর্বোচ্চ বিক্রিত থিম। এই একটি থিমের মাধ্যমেই থিমফিউশন নামের একটি প্রতিস্থান এখন পর্যন্ত আয় করেছে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার। আর এই থিম ফিউশনের একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা হল মুহাম্মদ হারিস যার নিবাস হল পাকিস্তানের লাহোরে। হারিস আমেরিকাবাসী আরেক ডিজাইনার লিউক বেক এর সাথে মিলে তাদের এই প্রতিষ্ঠান থিমফিউশন প্রতিষ্ঠা করে।

থিমফিউশনের এখন পর্যন্ত মাত্র একটি থিমই বিক্রি করেছে আর তাই হল অ্যাভাডা। থিমফিউশনের দেয়া তথ্যমতে এখন পর্যন্ত এই থিমের প্রায় ৮৩,১৩৭ কপি বিক্রি হয়েছে। আর এই বিক্রি থেকে যে অর্থ উঠে এসেছে হারিস তা দিয়ে তার পরিবারের জন্যে পাকিস্তানে তার স্বপ্নের তিনতলার বাড়ি তৈরি করছে।

এই ক্ষেত্রে হারিস জানিয়েছে যে, “আমরা একটি বিস্তৃত পরিবারে বাস করি। আমরা এই বাড়ি বানাতে সক্ষম হয়েছি শুধুমাত্র থিমফরেস্টে একটি মাত্র থিম বিক্রয় করে।”

এনভাটো এর সিইও, কলিন টাইয়িড ( মূলত যারা থিম ফরেস্টের মালিক ) এ বিষয়ে অ্যাভাডাকে ওয়েবসাইট থিমের ‘সুইস আর্মি নাইফ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “থিমটি সব করতে সক্ষম। আর ওয়ার্ডপ্রেস থিম একটি ব্যবসা ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা রাখে মূলত।”

হারিসের নিজের মুখেই শোনা যাক তাঁর অভিজ্ঞতার কথা :

দশ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন নতুন উদ্যোক্তারা

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নতুন উদ্যোগের আওতায় নতুন উদ্যোক্তারা এখন ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পেতে পারেন। সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ১০%। রবিবার (আগস্ট ৩) তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এই সুযোগ ঘোষণা করা হয় এবং পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আরো ৩২ টি ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১০০ কোটি টাকার অর্থায়ন তহবিল থেকে টাকা প্রদান করার জন্য একটি লিখিত চুক্তি স্বাক্ষর করেন ।

ব্যক্তিগত গ্যারান্টি এবং কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে এই তাহবিল থেকে ঋণ প্রদান করা হবে সেই সব উদ্যোক্তাকে যারা নির্বাচিত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছেন। একই সাথে কিছু উদ্যোক্তা এই তাহবিলের ব্যাংক থেকে ২৫ লাখ টাকা ঋণ গ্রহন করতে সক্ষম হবেন। তবে এই ঋণ শুধু মাত্র সেই সব উদ্যোক্তাদের প্রদান করা হবে, যারা ইতিপূর্বে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহন করেননি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রাহমান বলেন,  উদ্যোক্তাদের ব্যবসার শুরুতে পর্যাপ্ত মূলধন কিংবা আমানতযোগ্য সম্পদের অভাব একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ নতুন স্নাতক ডিগ্রীধারী চাকরীর সন্ধান করেন। যার মধ্যে অর্ধেক চাকরী খুঁজে পায় ।

তিনি আরো বলেন ব্যাংক শুধুমাত্র একজন অংশগ্রহণকারী ভূমিকা পালন করবে না বরং তারা নতুন উদ্যোক্তাদের আবিষ্কারে সক্রিয় হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগ, অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।

নতুন ২০০০ উদ্যোক্তা তৈরি করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত এই উদ্যোগের পেছনের শক্তি হিসেবে কাজ করার জন্য ডিসিসিআই এর প্রশংসা করেন তিনি। তিনি আরো বলেন একবার যদি এই উদ্যোগ সফল হয় তাহলে আর এই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর আব্দুল কাশেম বলেন, উদ্যোক্তাদের সঠিক প্রশিক্ষণ দেবার পরে ডিসিসিআই দ্বারা একটি ছোট তালিকা তৈরি করা হবে।

ফ্রি প্রোগ্রামিং ডিভিডি

প্রতিটি ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ কম্পিউটার কিনলে সাথে দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল থেকে প্রকাশিত ‘প্রোগ্রামিংয়ে হাতে খড়ি’ অথবা ‘ওয়েব কনসেপ্টস্’ এর ডিভিডি ফ্রি দিবে প্যানারোমা কম্পিউটার্স। আজ সোমবার ঢাকার এলিফেন্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারে এই ঘোষণা দেন প্যানারোমা কম্পিউটার্সের পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন এবং দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুলের সিইও তাহমিদ রাফি।

প্যানারোমা কম্পিউটার্সের পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন জানান: “প্যানারোমা থেকে যারা কম্পিউটার কেনে, তাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। তাই শিক্ষার্থীদের যদি ডিভিডি দেওয়ার মাধ্যমে প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী করা যায়, তাহলে সেটা দারুণ ব্যপার হবে।”

এই উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্যানারোমাকে ধন্যবাদ জানান দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুলের সিইও তাহমিদ রাফি।

প্যানারোমা কম্পিউটার্সের ঠিকানা: লেভেল ৮, মাল্টিপ্ল্যান সেন্টার,  নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।
ওয়েবসাইট : http://www.panaromabd.com/

ডিসক্রিট ম্যাথমেটিকস্ -এর ডিভিডি

সম্প্রতি ডিসক্রিট ম্যাথমেটিকস্-এর উপর একটি অনলাইন কোর্স আয়োজন করে দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল। কোর্সটি পরিচালনা করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাম্মাদ আলী। প্রায় তিন হাজারের মতো শিক্ষার্থী কোর্সটিতে অংশগ্রহন করে।

কোর্সের সবগুলো ভিডিও লেকচার নিয়ে একটি ডিভিডি বের করেছে দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল। আগামী মঙ্গলবার (আগষ্ট ৪) থেকে এটি পাওয়া যাবে রকমারি ডট কম-এ এবং ঢাকার নীলক্ষেতের হক লাইব্রেরিতে। বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে রকমারি ডট কম-এ ডিভিডি অর্ডার করলে ওরা বাসায় পৌঁছে দিবে মাত্র ৩০ টাকার বিনিময়ে।রকমারি ডট কম থেকে অর্ডার করার লিঙ্ক : http://goo.gl/dYGrxu

লিনাক্স এর ওপর ফ্রি অনলাইন কোর্স

লিনাক্স ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। তাদের বিভিন্ন কাজের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে লিনাক্স-এর উপর বিভিন্ন কোর্সের আয়োজন করা। তেমন একটি কোর্স হচ্ছে লিনাক্স পরিচিতি (Intro to Linux)। কোর্সটি করতে আপনাকে গুনতে হবে $2400 (হুম, ঠিক দেখছেন, দুই হাজার চারশ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় এক লক্ষ পঁচাশি হাজার টাকা)। এই কোর্সটি অনলাইন কোর্স হিসেবে ফ্রি নিয়ে আসছে এডএক্স। আগষ্টের এক তারিখ থেকে লিনাক্স ফাউন্ডেশনের সাথে যৌথভাবে তারা এই কোর্সটি শুরু করবে।

চল্লিশ থেকে ষাট ঘণ্টার এই কোর্সটি পড়াবেন ডঃ জেরি কুপারস্টেইন, যিনি লিনাক্স ফাউন্ডেশনের সব ট্রেনিং কনটেন্ট দেখাশোনা করেন। যাদের কম্পিউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আছে কিন্তু লিনাক্স সম্পর্কে কিছুই জানেন না, বা খুব কম জানেন, তাদের জন্য কোর্সটি উপকারি হবে। আর কোর্সটি করার আগে আপনার কম্পিউটারে লিনাক্স ইনস্টল করে নিতে ভুলবেন না।

কোর্সের লিঙ্ক : https://www.edx.org/course/linuxfoundationx/linuxfoundationx-lfs101x-introduction-1621

অনুষ্ঠিত হল গুগল আই/ও ২০১৪

DSC_3200

গুগল আই/ও মূলত ডেভেলপারদের কনফারেন্স হিসেবে পরিচিত হলেও এর প্রতি সাড়া বিশ্বের মানুষেরই নানা কারনে আগ্রহ হয়ে থাকে। আর গুগলের ২০১৪ সালের আই/ও তার ব্যাতিক্রম নয়। আর এবারের মূল আকর্ষণ তৈরি করেছিল অ্যান্ড্রয়েডের ‘এল’ আদ্যক্ষরের নতুন সংস্করণ, এইচটিসি নেক্সাস, নেক্সাস সিরিজের বাদ যাওয়া, গুগলের নতুন অ্যান্ড্রয়েড সিলভার প্রোগ্রাম এবং গুগল অ্যান্ড্রয়েড টিভির মতন নানা গুজব। কতটুকু সত্যতা পেয়েছে এ গুজবগুলো? সে সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করতেই এই প্রবন্ধটি-

DSC_3210

কিছু পরিসংখ্যান
গুগলের ইভেন্টের সূচনা করে অ্যান্ড্রয়েড, ক্রোম এবং অ্যাপসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুন্দর পিচাই এর বক্তব্য দিয়ে। তিনি তার বক্তব্যে প্রকাশ করেন কিভাবে করে অ্যান্ড্রয়েড এবং গুগলের অন্যান্য সার্ভিসেস প্রভাব ফেলেছে বিগত বছরে। তাঁর বক্তব্য থেকে উঠে আসে স্মার্টফোন কত প্রকটভাবে মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলা শুরু করেছে। শুধুমাত্র গত বছরের শেষ প্রান্তিকেই স্মার্টফোন বাজারজাত করা হয়েছে ৩১৫ মিলিয়ন। আর এর মধ্যে অ্যান্ড্রয়েডের মাস হিসেবে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ বিলিয়নের উপরে। এছাড়া ট্যাবলেট মার্কেটেও আন্ড্রয়েডের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। শেষ হিসেব অনুযায়ী ট্যাবলেট মার্কেটের ৪৬ শতাংশ শেয়ার এখনও আন্ড্রয়েড এর দখলে। আর অ্যাপ ইন্সটলের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে এসকল ব্যবহারকারীর মধ্যে প্রায় ২৩৬ শতাংশ।

DSC_3247

অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান
এ সকল পরিসংখ্যান শেষ সুন্দর পিচাই ঘোষণা করেন তাদের নতুন আন্ড্রয়েড ওয়ান প্রোগ্রামের। যা মূলত উন্নয়নশীল বাজারগুলোকে কেন্দ্র করে কাজ করবে। এ জন্যে তারা পার্টনার হিসেবে নির্বাচন করেছে মাইক্রোম্যাক্স, স্পাইস এবং কার্বন ফোনকে। তাদের তৈরি করা ফোন সাড়া বিশ্বে বাজারজাত করা হবে। সুন্দর পিচাই উদাহরণ স্বরূপ মাইক্রোম্যাক্সের একটি ফোন দেখায় যে কিনা ডুয়াল সিম, ৪.৫ ইঞ্চি স্ক্রিন এবং এফএম রেডিও আছে। এর দাম হবে ১০০ ডলারের নিচে। এ সকল ফোন অ্যান্ড্রয়েডের গুগল সিরিজের মতনই সরাসরি গুগলের কাছ থেকে আপডেট পাবে এবং আন্ড্রয়েডের সকল সুবিধা এতে বিদ্যমান থাকবে।

DSC_3258

আন্ড্রয়েড এল ডেভেলপার প্রিভিউ
অতঃপর সুন্দর পিচাই ঘোষণা করেন তাদের নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের। নতুন সংস্করণ হলেও এর নাম এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। গুগল থেকে বর্তমানে একে অ্যান্ড্রয়েড এল বলা হচ্ছে। এটি মূলত একটি ডেভেলপার প্রিভিউ হিসেবে কাজ করবে। গ্রাহক পর্যায়ে এখনই উন্মুক্ত করা হবে না। এর পিছনে কারন হল অ্যান্ড্রয়েড এল এ নানা ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে এর রানটাইম থেকে শুরু করে ইউজার ইন্টারফেস সবকিছুতে। ডেভেলপারকে এর সাথে তাদের অ্যাপ নিয়ে কাজ করতেই এই সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। তাদের অ্যাপ ডিজাইন যেন সহজ হয় এর জন্যে আলাদা একটি ওয়েবসাইটও খুলেছে গুগল। বর্তমানে এই এল ডেভেলপার প্রিভিউ এর ফ্যাক্টরি ইমেজ শুধুমাত্র নেক্সাস ৫ এবং নেক্সাস ৭ ২০১৩ এডিশনের জন্যে পাওয়া যাবে। ফলে কেউ যদি ‘এল’ নিয়ে কাজ করতে চায় তাঁর এই ডিভাইস দুটির একটি থাকা লাগবে।

DSC_3661

অ্যান্ড্রয়েড ওয়েয়ার
প্রায় তিনমাস আগে গুগল প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ওয়েয়ার এর কথা ঘোষণা করলেও আজকে পুরোপুরি ভাবে উন্মোচন হল অ্যান্ড্রয়েড এর এই স্মার্টওয়াচ অপারেটিং সিস্টেম। আই/ও তে এর কিছু উল্লেখযোগ্য সুবিধাসমুহ দেখান হয়েছে যদি এটি এখনও উন্নয়নে রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি গুগল দুটি স্মার্টওয়াচ ও ঘোষণা করেছে একটি এলজি জি ওয়াচ এবং আরেকটি স্যামসাং গ্যালাক্সি লাইভ। দুটোই অ্যান্ড্রয়েড ওয়েয়ার এ চালিত এবং এর মধ্যে এলজি জি ওয়াচ আগেই নানা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল। স্মার্টওয়াচ দুটির দাম যথাক্রমে ২৪৯ এবং ১৯৯ ডলার রাখা হয়েছে এবং আজকে থেকে এটি অর্ডার করা যাবে। তবে স্মার্টওয়াচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মটো ৩৬০ এখনই বাজারে আসবে না। গুগলের ভাষ্যমতে তা এ প্রান্তিকের শেষের দিকে বাজারজাত করা হবে।

DSC_3736

অ্যান্ড্রয়েড অটো
গুগল স্মার্টফোনের মতন গাড়ির ক্ষেত্রেও একটি সংঘঠন তৈরি করেছে বেশ কিছু মাস আগে। ওপেন অটোমোটিভ অ্যালায়েন্স এর উদ্দেশ্য হল গাড়ির ড্যাশবোর্ডকে আরও উন্নত করা। ড্রাইভারের কাছে আরও সহজ করে তোলা। আর এই উদ্দেশ্যে গুগল এই সংঘঠন প্রস্তুত করে। আর আজ গুগল ঘোষণা করল তাদের গাড়ির জন্যে তৈরি অ্যান্ড্রয়েড অটো। এটি গাড়ির ড্যাশবোর্ডের সাথে ড্রাইভারের অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে সংযুক্ত করে তাঁকে করবে আরও উন্নত এবং গাড়ি চালানোর সময় ফোনের ব্যবহার কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে। গুগল আজ ঘোষণা করেছে তাদের এই অ্যালায়েন্সে আরও ৪০ টি প্রতিষ্ঠান যোগ দিয়েছে যা একটি বড় বিষয় বলেই দাবি করা যায়।

DSC_3826

অ্যান্ড্রয়েড টিভি
গুগলের টিভি বাজারে নতুন করে ঢোকার প্রচেষ্টা হল অ্যান্ড্রয়েড টিভি। এর মাধ্যমে গুগল যে কোন ডিভাইসের মাধ্যমে টিভিকে একটি অ্যান্ড্রয়েড টিভিতে রুপান্তর করবে। যা কিনা ব্যবহারকারীর চাহিদা হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করতে সক্ষম। এটি সম্পূর্ণ টিভিকে একটি এন্টারটেইনমেন্ট বক্স হিসেবে প্রস্তুত করে তুলবে। গুগলের ভাষ্যমতে তারা এর মাধ্যমে টিভিকে মোবাইল এবং ট্যাবলেটের সমান মনোযোগ দিচ্ছে। গুগল ঘোষণা করেছে ২০১৪ সালের সকল সনি স্মার্টটিভি এবং ২০১৫ সালের সকল শার্প স্মার্টটিভি এই অ্যান্ড্রয়েড টিভিতে চলবে। এছাড়া আরও নানা টিভি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এতে যোগ দিবে খুব দ্রুতই।

DSC_3938

ক্রোমে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ
ক্রোমেও আসছে নানা পরিবর্তন। খুব শীঘ্রই ক্রোমে অ্যান্ড্রয়েডের সকল অ্যাপ সমর্থন করবে। ফলে গুগল সার্ভিস ব্যবহারকারী যেখানেই যাক না কেন সে তাঁর গুগলের সকল সার্ভিসেস খুব সহজেই পেতে পারবে।

এসকলের বাইরে গুগল আরও নানা সুবিধা এবং নতুন কার্যক্রম ঘোষণা করেছে যার মধ্যে আছে অ্যান্ড্রয়েড নতুন ডিজাইন, গুগল প্লে সার্ভিসেস, ড্রাইভ, নিরপত্তা, প্রজেক্ট ভোল্টা প্রভৃতি। এ সকল বিষয়ে বিস্তারিত পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে। তবে এত কিছুর মধ্যে গুগলের এই ইভেন্টে নতুন নেক্সাস ডিভাইস, সিলভার কার্যক্রম অথবা নেক্সাস সিরিজ বন্ধ হয়ে যাবার কোন ঘোষণা আসেনি। অবশ্য কোন নেক্সাস ডিভাইস ঘোষণা না হওয়ায় একটি বড় বিষয়। তবে সবমিলিয়ে গুগলের তিনঘন্টার এই কিনোট অনুষ্ঠান যথেষ্ট পরিমাণ উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমে পূর্ণ ছিল বলে দাবি করা যায়।

পাইকন ঢাকা নিয়ে বিস্তারিত

পাইথন কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি জনপ্রিয় ভাষা। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত হাই-লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষা যা বর্তমানকালে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট বা ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ছাড়াও বিভিন্ন গবেষণাধর্মী কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ভাষার প্রোগ্রামারদের শক্তিশালী কমিউনিটি রয়েছে। প্রতি বছরই এই কমিউনিটির সদস্যরা আয়োজন করেন পাইথন কনফারেন্স যা পাইকন নামে পরিচিত। এই কনফারেন্সগুলো মূলত অনুষ্ঠিত হয় স্বেচ্ছাসেবক পাইথনপ্রেমীদের উদ্যোগে। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই অনুষ্ঠানটি বেশ ঘটা করে আয়োজন করা হয়ে থাকে।

banner

অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও পাইথন ডেভেলপারদের একটি কমিউনিটি রয়েছে যা বাংলাদেশ পাইথন ইউজার গ্রুপ নামে পরিচিত। আর সেই কমিউনিটির সদস্যদের উদ্যোগেই গত ২১শে জুন, ২০১৪ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো দেশের প্রথম পাইথন কনফারেন্স, পাইকন ঢাকা ২০১৪। সকাল ৯টায় বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউতে অবস্থিত গ্রীন গ্রানডিউরের ১০ম তলায় এটি অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে যোগ দেন প্রায় ২০০ জন পাইথন প্রোগ্রামার, যাদের বেশিরভাগই সফটওয়্যার নির্মাতা।

2

অনুষ্ঠানটি শুরু হয় সকাল ৯:৩০ মিনিটে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন তামিম শাহরিয়ার সুবিন। অনুষ্ঠানটিতে ছিল মোট দুটি প্রেজেন্টেশন সেশন। প্রতি সেশনে ৫টি করে ভিন্ন ভিন্ন পাইথন লাইব্রেরী নিয়ে বক্তারা আলোচনা করেন। প্রথম সেশন শুরু হয় বেলা ১০:০০ টায়। এই সেশনের প্রথম বক্তা মাফিনার খান। তিনি বর্তমানে প্যানাসিয়া সিস্টেমস লিমিটেড এ প্রডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি আলোচনা করেন পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার আকর্ষণীয় সব ফিচার নিয়ে।

4

পরবর্তি প্রেজেন্টেশন এর বিষয় ছিল রেস্ট এপিআই (REST API)। ‘টেস্ট ইওর রেস্ট এপিআই’ শীর্ষক এই প্রেজেন্টেশনের বক্তা মুক্ত সফটওয়্যার লিমিটেড এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক তামিম শাহরিয়ার সুবিন। রেস্ট এপিআইয়ের পরে পাইথনের লাইব্রেরী বিউটিফুলসুপ (BeautifulSoup) এর উপরে প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন নর্থ সাউথ বিশ্বিবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইনাম মিজবাহ নূর। তিনি তার বক্তব্যে দেখান কিভাবে বিউটিফুলসুপ ব্যবহার করে HTML পার্সিং করা যায়। ওয়েব ক্রলিং ও স্ক্র্যাপিংয়ের জন্য বিউটিফুলসুপ একটি জনপ্রিয় লাইব্রেরী।

8

‘জ্যাঙ্গো ইন লার্জ স্কেল অটোমেশন’ শিরোনামে পরবর্তি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন মুক্ত সফটওয়্যার লিমিটেড এর সিটিও মাহফুজুর রহমান মাসুম। জ্যাঙ্গো হচ্ছে পাইথনে তৈরী জনপ্রিয় একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক যার সাহায্যে অনেক সহজে খুব বড় স্কেলের প্রজেক্ট তৈরী করা যায়।

9

প্রথম সেশনের সর্বশেষ বক্তা ছিলেন গোর্কি সাখাওয়াত সোবহান। তিনি ফাইন্ডার ভেহিকেল ট্ট্যাকিং সার্ভিসের পরিচালক এবং তার প্রেজেন্টেশনের বিষয় ছিলো পাইথনের আরেকটি লাইব্রেরী যার নাম টর্নেডো। টর্নেডো একটি এসিনক্রোনাস বা নন-ব্লকিং ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব এপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক যার পুরোটাই পাইথনে লিখা। তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ১১;৩০ মিনিটে শেষ হয় অনুষ্ঠানের প্রথম সেশন। প্রথম সেশনের পরে ছিল ৩০ মিনিটের একটি নেটওয়ার্কিং ব্রেক। এই নেটওয়ার্কিং ব্রেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকেরা একে অপরের সাথে আলোচনা ও মত বিনিময় করেন। এ সময় নেসক্যাফে’র পক্ষ থেকে সকলকে বিনামূল্যে কফি বিতরন করা হয়।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সেশন শুরু হয় বেলা ১২ টায়। এই সেশনে ছিলো আরো পাঁচটি প্রেজেন্টেশন। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই একটি ভিন্নধর্মী বিষয় নিয়ে হাজির হন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুহশান আহমেদ আবীর। তিনি জেনেটিক্স ডিপার্টমেন্টের একজন শিক্ষার্থী। তিনি ব্যখ্যা করেন বায়‌োইনফরমেটিক্স কি এবং বায়‌োইনফরমেটিক্স এর বিভিন্ন ক্ষেত্র যেমন FASTA ফাইল পার্সিং, ডিএনএ থেকে আরএনএ ট্রান্সক্রিপশন, প্রোটিনের হোমোলজি মডেলিংয়ে কিভাবে পাইথন লাইব্রেরী ব্যবহৃত হয়। তারপরে আরেকটি আকর্ষণীয় বিষয় ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিংয়ের জন্য লেখা পাইথন লাইব্রেরী NLTK নিয়ে আলোচনা করেন ফাসিউল কবির। তিনি এসসেনিক (Escenic) নামক প্রতিষ্ঠানে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন। ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং হচ্ছে বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভাষতত্বের জ্ঞান ব্যবহার করে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে কথ্য ও লিখিত ভাষা পার্সিং ও তার অর্থ অনুধাবন এবং অর্থবোধক বাক্য গঠন সংক্রান্ত গবেষণা করা হয়। সহজ করে বলতে গেলে মানুষ এবং যন্ত্রের মধ্যে মনের ভাব আদান প্রদানের জন্য যে শাখায় গবেষণা করা হয় তাই হচ্ছে ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং। আর এই কাজের জন্য পাইথনে রয়েছে চমৎকার একটি লাইব্রেরী যার নাম ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ টুলকিট বা NLTK।

10

ফাসিউল কবিরের চমৎকার প্রেজেন্টেশনের পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা ‘মেশিন লার্নিং’ নিয়ে আলোচনা করেন নিউজক্রেডে কর্মরত রাসেল মাহমুদ। মেশিন লার্নিং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি প্রশাখা যেখানে প্রদত্ত উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পূর্বাভাষ দেওয়া বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ সংক্রান্ত গবেষণা করা হয়। বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্র, আবহাওয়ার, বিপণনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মেশিন লার্নিং ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হয়। রাসেল মাহমুদ আলোচনা করেন কিভাবে পাইথন এর বিভিন্ন লাইব্রেরী ব্যবহার করে মেশিন লার্নিংয়ের বিভিন্ন এলগরিদম বাস্তবায়ন করা যায়।

12

পরবর্তি প্রেজেন্টেশনের বিষয় ছিল পাইথনের Ansible লাইব্রেরী। আইটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার অটোমেশন ও ম্যানেজমেন্ট, মাল্টিপল নোড সফটওয়্যার ডেপ্লয়মেন্ট, কনফিগারেন ম্যানেজমেন্টের জন্য তৈরী আনসিবল একটি ওপেন সোর্স পাইথন সফটওয়্যার। আনসিবল নিয়ে আলোচনা করেন নিউজক্রেডে কর্মরত প্রকৌশলী শাইখুল ইসলাম চৌধুরী ও প্রকৌশলী ফাইয়াজ আহমেদ।

সর্বশেষ প্রেজেন্টেশন টপিক নিয়ে হাজির হন নিউজক্রেডের রুবাইয়াত ইসলাম ও শিপলু মোকাদ্দিম। তাদের আলোচনার বিষয় ছিল ‘ডিস্ট্রিবিউটেড টাস্ক ম্যানেজমেন্ট উইথ সেলেরী’। সেলেরী ডিস্ট্রিবিউটেড মেসেজ পাসিং এর উপর ভিত্তি করে পাইথনে তৈরী একটি এসিনক্রোনাস টাস্ক কিউ (রিয়াল টাইম এবং সিডিউলিং)।এটি একটি শক্তিশালী ওপেন সোর্স সফটওয়্যার যা অনেক বেশী ডাটা নিয়ে কাজ করতে সক্ষম। যে সকল সিস্টেমে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাস্ক/জব নিয়ে কাজ করতে হয় সেখানে সাধারনত সেলেরী ব্যবহৃত হয়। এই প্রেজেন্টেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পাইকনের দ্বিতীয় সেশন।

11

5

এছাড়াও অনুষ্ঠানে পাইথন শিক্ষার্থীদের পাইথন শিখতে উৎসাহিত করে বক্তব্য প্রদান করেন মুনির হাসান। অনুষ্ঠানের শেষে ছিল একটি সাধারন প্রশ্নোত্তর পর্ব। উপস্থিত দর্শকরা বিভিন্ন প্রশ্ন এবং উত্তর প্রদান করেন। অনুষ্ঠান শেষ হয় বেলা দুইটায়। পুরো অনুষ্ঠানটির ভিডিওতে ধারন করে বিডিওএসএন। শীঘ্রই ভিডিওগুলো ইউটিউবে আপলোড করা হবে বলে জানিয়েছেন অনুষ্ঠানের আয়োজকদের একজন, দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুলের সিইও তাহমিদ রাফি।

1314

অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সহায়তা করেছে দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক। দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান যারা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং সংক্রান্ত বিভিন্ন অনলাইন কোর্সের আয়োজন করে থাকে। আর বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক হচ্ছে একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান যারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহার জনপ্রিয় করতে কাজ করে। সাথে ছিলো বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম।

banner-logo

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকলকে স্পনসরদের পক্ষ থেকে টি-শার্ট, গিফট প্যাক ও দুপুরের খাবার সরবরাহ করা হয়। পাইকন ঢাকা ২০১৪-এর স্পন্সর ছিলো নিউজক্রেড, ওয়াইডস্পেস, বিডিজবস, মুক্তসফট, ফাইন্ডার এলবিএস, অনলাইন কেনাকাটা, ট্রান্সেনডিও ও নেসক্যাফে। অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করে আয়োজকরা বলেন, ‘বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মত আমরা পাইথন ডেভেলপারদের জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত পাইকন ঢাকা ২০১৪ করেছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখে আমরা অভিভূত’। তারা ভবিষ্যতে পাইথন প্রোগ্রামারদের আরো বড় সম্মেলন আয়োজন করার ইচ্ছা ব্যাক্ত করেন। তারা আরো জানান, dhaka.pycon.org ইউআরএল এ ইভেন্টের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

6

উন্মোচন হল অ্যামাজনের ফায়ার ফোন

অবশেষে মুক্তি পেল বহুল প্রতীক্ষিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের স্মার্টফোন। প্রায় ১ বছরের বেশি সময় ধরে চলতে থাকা নানা গুজবের ইতি ঘঠিয়ে অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজস গত ১৯ তারিখ তাদের এই নতুন স্মার্টফোন ঘোষণা করে। আর এই স্মার্টফোনের মাধ্যমে ট্যাবলেট প্রস্তুতকারন প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন এবার প্রবেশ করল স্মার্টফোন বাজারে।

অ্যামাজনের ঘোষণা করা এই নতুন স্মার্টফোনের নাম হল ‘অ্যামাজন ফায়ার ফোন’। ৪.৭ ইঞ্চি স্ক্রিনের এই স্মার্টফোনটি নিয়ে বেশ আশাবাদী অ্যামাজন। আর এটি তাদের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে উল্লেখ্য পরিমানে ভুমিকা রাখবে বলে ধারনা করা যায়। অ্যামাজনের ঘোষণা করা এই স্মার্টফোনের দুটো উল্লেখ্য ফিচার হল এর ‘ডাইনেমিক প্রাস্পেকটিভ’ এবং ‘ফায়ারফ্লাই’। উল্লেখ্য এই দুই ফিচারের মাধ্যমে অ্যামাজন নিজেদের অন্যান্য স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে আলাদা করে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। এর মধ্যে ডাইনামিক প্রাস্পেকটিভ এর মাধ্যমে কিছুটা থ্রিডি অভিজ্ঞতা প্রদান করা হবে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে। আর এর জন্যে স্মার্টফোনটির সামনে ব্যবহার করা হয়েছে চারটি ক্যামেরা। যা কিনা ব্যবহারকারীর চোখ, মাথার দিকভঙ্গি সকল কিছু পর্যবেক্ষণ করবে এবং সে হিসেবে স্ক্রিনের ছবিতে একটি ডেপথ অথবা গভীরতা তৈরির চেষ্টা করবে। অপরদিকে ‘ফায়ারফ্লাই’ হল একটি ক্যামেরা সংক্রান্ত ফিচার যা কিনা ক্যামেরার মাধ্যমে যেকোনো বস্তু অথবা ছবিকে শনাক্ত করার চেষ্টা করবে এবং সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়ার দিবে। আর সেটি যদি কোন পন্য হয় তবে অ্যামাজন তাদের স্টোরের মাধ্যমে এটি কেনার সুযোগও তৈরি করে দিবে। অ্যামাজন তাদের এই ফিচার নিয়ে এতটাই আশাবাদী যে তারা এর জন্যে একটি নির্দিষ্ট কি-বোটনও তৈরি করেছে ফোনে।

উল্লেখ্য ফিচার দুটির বাইরে ফোনটির অন্যান্য স্পেসিফিকেশন হল- একটি ৪.৭ ইঞ্চি ১২৮০x৭২০ রেজুলেশনের আইপিএস ডিসপ্লে। এই ডিসপ্লে ৫৯০ নিট পর্যন্ত উজ্জ্বল হতে পারে যার ফলে যেকোনো আলোতে এতে সহজেই কাজ করা যাবে। প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়াল্কম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ কোয়াড কোর প্রসেসর যা কিনা ২.২ গিগাহার্জে ক্লক করা এবং জিপিউ হিসেবে আছে অ্যাড্রেনো ৩৩০ জিপিউ। আরও আছে ২ গিগাবাইট র‍্যাম, ৩২ এবং ৬৪ গিগাবাইট স্টোরেজ সুবিধা এবং অ্যামাজন ক্লাউডে আনলিমিটেড ছবি বিনামূল্যে রাখার সুবিধাও। ক্যামেরা হিসেবে আছে ১৩ মেগাপিক্সেল ফাইভ এলিমেন্ট লেন্স f/2.0 ক্যামেরা যা কিনা স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৫ এবং আইফোন ৫এস এর সাথে তুলনীয় বলে অ্যামাজন দাবি করে। ক্যামেরাতে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ফিচার হল এর ওআইএস অথবা অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন যার ফলে ছবি কম ব্লার হবে এবং কম আলোতে ছবি তোলা আরও সহজ হবে।

ফোনটি অ্যামাজনের নিজস্ব ফায়ার ওএস ৩.৫ এ চলে যা কিনা মূলত অ্যান্ড্রয়েডেরই একটি সংস্করণ। এর ইউআই অ্যামাজনের ট্যাবলেট সংস্করণের মতনই এবং এটি গ্রাহককে তাদের পন্য আরও সহজে কিনতে সাহায্য করবে। তবে এটি অ্যামাজনের নিজস্ব ওএস হওয়ায় এতে নেই কোন গুগল অ্যাপস অথবা গুগল প্লে স্টোর।

অ্যামাজনের এই ফোনটি যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রি-অর্ডার করা যাচ্ছে এটিএন্ডটির মাধ্যমে। ফোনটির মূল্য ৩২ জিবি স্টোরেজের জন্যে ৬৪৯ ডলার এবং ৬৪ জিবি স্টোরেজের জন্যে ৭৪৯ ডলার। এই দাম অনেককেই অবাক করেছে কারন ধারনা করা হয়েছিল অ্যামাজনের ট্যাবলেটের মতন এর দামই কম হবে। কিন্তু অন্যান্য সকল স্মার্টফোনের মতনই এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যামাজন এর পরও আশা করছে তারা এ বছর প্রায় ২-৩ মিলিয়ন ফায়ার ফোন বিক্রি করতে পারবে।